তুমি আসবে বলে আমি বাতায়ন রেখেছি খুলে সাজ সাজ সজ্জায় মাতিয়ে রেখেছি পুরো আঙ্গিনা, সজনে তলা লেপে রেখেছি ক্লান্ত তুমি বসবে সেথায়। তুমি আসবে বলে... লাল পাড়ে শাড়িটার ভাঁজ আজও খোলা হয়নি হলুদ বাটা, মেহেদী বাটা, কুড়ে রেখেছি নারিকেল গুড়ো তুমি আসবে বলে কতো আয়োজন...! তুমি আসবে বলে... বাসমতী চালের পানি ভাত, শুঁটকী ছানা সাথে শর্ষে ইলিশ মাটির সানকী, শীতল পাটি, তালপাতার পাখায় নকশা করা তুমি আসবে বলে মহাজন হালখাতায় করেছে নিমন্ত্রণ সারা রাত জেগে কাজল করেছি তুমি এলে পরবো তাই তোমার পথ চাওয়া অপেক্ষার প্রহর আমায় উতলা করে ঘর থেকে নিয়ে আসে পদ্ম দিঘী ঘাটে নূপুর সমেত তপ্ত দেহ ভেজাই জলের তলে। কথা হয় মাছের সাথে, ঢেউ এর সাথে, হাসাহাসি হয় হাস পালকে। তুমি আসবে বলে জানো... এক এক করে কতো রাত আমি ঘুমাতে পারিনি প্রদীপ তলে নকশী কাঁথায় আঁকা আছে আমার সে বিষাদ! তুমি আসছো আজ কতো দিন পর... আমি বুঝি হিসাব রাখিনা! পাল তোলা নায়ের হাওয়া বলে তোমার আসার খরব কানে কানে কথা বলে মৌ, ভ্রমরা ফুলে ফুলে কাঁঠাল তলায় কাঠবিড়ালি লেজ ফুলিয়ে ছুটোছুটি খেলে সব আনন্দ; সব আয়োজন শুধু তোমার জন্যে বৈশাখ তুমি আসবে বলে বর্ষবরণ করবো বলে!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।